মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অত্যাধুনিক হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। এই বাহিনীতে যুক্ত হলো এভিয়েশন ইউনিট। ইতিমধ্যে দুটি হেলিকপ্টার দিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে ইউনিটটি। এরই মধ্যে হেলিকপ্টার কেনার অনুমোদন মিলেছে। এ ছাড়া বাহিনীতে আনা হচ্ছে নতুন আধুনিক আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি), হেলিকপ্টর, আর্মড-ফোর গাড়ি, অত্যাধুনিক নেট গান, স্নাইপার রাইফেল, থ্রু ওয়াল ইমেজিং ডিভাইস, রাডার (রেঞ্জ-আর) বা আধুনিক দূরবীন, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, গ্যাস গান, অচেতন করার গ্যাসসহ আরও অনেক কিছু।

পুলিশ সদর দফতরের একটি সূত্র এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া আগে থেকেই চলছিল। সম্প্রতি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে অত্যাধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা বেশি দেখা দেয়। সূত্রগুলো জানায়, জঙ্গিবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা চালানো পর পাল্টা গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। জঙ্গি বা অপরাধীদের জীবিত ধরাটা কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু জীবিত ধরার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পুলিশ বাহিনীতে নেই। এ ছাড়া দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন বা জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন সরঞ্জাম এক জেলা থেকে আরেক জেলায় পৌঁছানোর কোনো ব্যবস্থা নেই পুলিশ বাহিনীতে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করে যেতে হয় ঘটনাস্থলে। সেটিও আবার সময়সাপেক্ষ, যে কারণে নিজস্ব হেলিকপ্টারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (ইকুইপমেন্ট) মো. কামরুল আহসান বলেন, পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া আগের থেকেই চলছিল। সম্প্রতি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে এটার প্রয়োজনীয়তা বেশি দেখা দিয়েছে। পুলিশের নতুন জিনিসপত্র বা অত্যাধুনিক সরঞ্জাম আনার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্র বলছে, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন কিছু সরঞ্জাম সংগ্রহের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো যেভাবে চাহিদা দেবে সেই আলোকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হবে। একই সঙ্গে তাদের বর্তমানে যেসব সরঞ্জামের স্বল্পতা রয়েছে সেগুলোও দ্রুত কেনা হবে। সম্প্রতি গুলশান, শোলাকিয়া, কল্যাণপুর, নারায়ণগঞ্জ ও রূপনগরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে বেশ কিছু আধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। সেই আলোকে নতুন কিছু সরঞ্জাম সংগ্রহের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি পারসোনেল ক্যারিয়ার, যা দিয়ে দ্রুত সময়ে শক্ত দেয়াল ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করা যাবে। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি রেস্টুরেন্টে অপারেশন থান্ডারবোল্ডে সেনাবাহিনী এ ধরনের আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার ব্যবহার করেছিল। একই সঙ্গে আসামি ধরার জন্য নেট গান সংগ্রহ করার চিন্তাভাবনা চলছে। নেট গান আসামি আটকের একটি খুবই কার্যকর পদ্ধতি।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter